বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি দাবি করেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থেকে তিনি বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ছাত্রজীবনে কপালে গুলি খেতে হয়েছে তবুও তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। শনিবার লক্ষ্মীপুরে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
কপালে গুলি ও নির্যাতনের অভিযোগ
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের লাহারকান্দি ইউনিয়নের চাঁদখালী এ-রব উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নারীদের সঙ্গে এক উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যানি চৌধুরী তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থেকে বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি আমি। ছাত্রজীবনে কপালে গুলিও খেতে হয়েছে। তবুও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি।”
এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, “আমি একা নির্যাতিত হইনি। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত, তারাও একই নির্যাতন সহ্য করেছেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা কি পেরেছে আমাদের দমিয়ে রাখতে? ১৭ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। আমার দুই ছেলে পর্যন্ত এই নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি।”
নারীদের দায়িত্ব ও ভূমিকার প্রসঙ্গে এ্যানি চৌধুরী বলেন, “সমাজকে আলোকিত করতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষিকাজ থেকে শুরু করে সব অঙ্গনেই নারীদের অংশগ্রহণ প্রশংসিত। সচেতন নারীরাই একটি সমাজকে বদলে দিতে পারে।”
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে এ্যানি চৌধুরী বলেন, “স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনা বছরের পর বছর আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেয়নি। খাবারের সঙ্গে বিষ মেশানোর মতো অমানবিক আচরণও করা হয়েছে, যেন তিনি সুস্থ না হতে পারেন। ধীরে ধীরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এখন তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। সকলের কাছে দোয়া চাই।”
এই উঠান বৈঠকে এ্যানি চৌধুরীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পূর্ব বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক সুমি ভূঁইয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলীম হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশীদুল হাসান লিংকনসহ আরও অনেকে।
পাবলিকিয়ান টুডে/ সংগৃহীত | ফেসবুক
