শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত সোমবার ১৬ গ্রেডে কর্মরত ৮২ জনকে ১০ম গ্রেডে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। কি হচ্ছে সেই পদোন্নতির প্রজ্ঞাপনের?
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বুধবার জেএসসি, জেডিসির বৃত্তির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা এই বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের দৃষ্টি আর্কষণ করলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, কর্মচারীদের উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির ফাইলে তিনি স্বাক্ষর করেননি।
এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন এবং সাংবাদিকদের জানান, ‘পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত এবং জারি করা প্রজ্ঞাপন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল থেকে সরানো হচ্ছে তাজুল ইসলামকে
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য প্রকাশ করে শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি: জামায়াত
গত সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের এক স্মারকের সুপারিশের আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০২১ অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এসব কর্মচারীকে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুসারে ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- বেতনক্রমে (২য় শ্রেণি, গ্রেড-১০) ‘সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার’ পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক তাদের নামের পাশে কর্মস্থলে পদায়ন করা হল।’
সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক প্রভৃতি পদে কর্মরত ছিলেন পদোন্নতি পাওয়া এই ৮২ জন কর্মকর্তা।







