ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের নিয়ে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এর প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে বহু অমীমাংসিত প্রশ্নের মধ্যে এই বৈঠকে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
বোর্ডটি আগামী কয়েক সপ্তাহে গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার প্রবাহ, পুনর্গঠন তহবিলের পরিমাণ এবং হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকারিতা যাচাই করবে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামে নামকরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউটে উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে ট্রাম্প বক্তব্য দেবেন। তিনি ঘোষণা করবেন, অংশগ্রহণকারী দেশগুলো গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য ৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে।
এই ৫ বিলিয়ন ডলারের তহবিলকে প্রাথমিক কিস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও বহু বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই তহবিলের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত প্রতিটি ১.২ বিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।
যদিও বোর্ডে ইসরায়েল অন্তর্ভুক্ত, ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা এতে নেই। গাজার বাইরের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বোর্ডের ভূমিকা ভবিষ্যতে গুরুত্ব পেতে পারে। তবে এটি জাতিসংঘের বৈশ্বিক কূটনীতি ও সংঘাত নিরসনের কার্যকারিতাকে দুর্বল করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েকটি দেশ থেকে গাজার জন্য হাজার হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই সেনারা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে গাজায় মোতায়েন হলে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
পাবলিকিয়ান টুডে/এফএ
সূত্র: ইত্তেফাক







