নারায়ণগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত এক নারী আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। জেলার আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ৬ পুলিশ সদস্যকে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার খামার থেকে ৪০টি ছাগল লুট
এ ঘটনায় সরকরী কাজে বাধা প্রদানের দায়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রসুলপুর গ্রামের জুলহাস মিয়ার স্ত্রী সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আসমা বেগমকে (৪৫) গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে অভিযান চালায় আড়াইহাজার থানা পুলিশ। এ সময় আসামির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন আসামি গ্রেফতারের বাধা দেন এবং বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এসআই অজিত, এএসআই আরিফ, এএসআই ফারুক, এএসআই শরীফ, এএসআই সাইফুল ও এএসআই নিজাম আহত হন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আসমাকে আটক করার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে ঘেরাও করে রাখে। এতে প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশ অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধ সদস্যদের উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার একপর্যায়ে আসামি আসমাকে তার স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে পরিবারের দাবি, অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে মাধবদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ৩ নারীসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পাবলিকিয়ান টুডে/এফএ
সূত্র: ইত্তেফাক







