পাকিস্তানের কোয়েটাসহ বেলুচিস্তানের অন্তত ১২টি শহরে একযোগে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সংগঠনটির দাবি, এসব হামলায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৮০ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ও সন্ত্রাসীবিরোধী ইউনিটের সদস্যরাও রয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এই দাবি করেছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বিএলএ। খবর প্রকাশ করেছে ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি।
বিবৃতিতে বিএলএ জানায়, বেলুচিস্তানের একাধিক শহরে তাদের যোদ্ধারা ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানকে তারা ‘অপারেশন হেরোফ ফেজ টু’ নামে অভিহিত করেছে।
সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী চালানো এসব হামলায় ইসলামাবাদের নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে বলে দাবি করেছে বিএলএ।বিএলএ’র মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ জানান, কোয়েটা, নশকি, মাসতুং, দালবানদিন, কালাত, খারান, পাঞ্চগুর, গোয়াদার, পানসি, তুরবাত, তুম্ব, বুলেদা, ম্যাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ ও আওরান এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় একের পর এক আক্রমণ চালানো হয়। কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযানে নিজেদের সাতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলেও স্বীকার করেছে বিএলএ।
তবে বিএলএ’র দাবির বিপরীতে ভিন্ন তথ্য দিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং জানিয়েছে, বেলুচিস্তানে ভারত-সমর্থিত ৯২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এন| মূলসূত্র: ইত্তেফাক







