রাজবাড়ীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ব্যবহার করে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি এক পরীক্ষার্থীর। ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পড়ায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রাজ্জাক রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আশুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় আব্দুর রাজ্জাকের হয়ে অন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং এতে তিনি উত্তীর্ণ হন। তবে ভাইভা বোর্ডে অংশ নেওয়ার সময় পরীক্ষকদের প্রশ্নোত্তরে অসংগতি দেখা দিলে সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত আব্দুর রাজ্জাককে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এ ধরনের জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পাবলিকিয়ান ট্যুডে\টি \ মূল তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি







