রুমিন ফারহানা বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল স্থানীয় পর্যায়ে নেতা–কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিস্থিতির ‘ভয়াবহ পরিণতি’ হতে পারে। শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গেলে বিএনপি নেতা–কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকেরা কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান, ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘১২টা ১ মিনিটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আমারই প্রথম ফুল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির কিছু লোক সেখানে রীতিমতো হামলা চালায়। আমাকে এক পাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।’
দলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। বিএনপি যদি তার নেতা-কর্মীদের লোকাল লেভেলে এখনই কন্ট্রোল না করে, এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।’
হামলাটি আকস্মিক নয় দাবি করে তাঁর বক্তব্য, ‘ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। বিএনপির উপজেলা শাখার প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি সেখানে ছিলেন না। এলাকায় গুন্ডা হিসেবে পরিচিত একজনের নেতৃত্বে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলে হামলা চালায়।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, হামলার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয় থাকতে পারে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের জয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জিতেছি। তাদের মধ্যে পরাজয় মেনে নেওয়ার কষ্ট আছে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পুলিশ চেষ্টা করেছে। কিন্তু সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা যখন ভয়াবহভাবে তাণ্ডব চালায়, পাঁচ থেকে ১০ জন পুলিশ সেটা কন্ট্রোল করতে পারে না।’
শহীদ মিনারের মতো স্থানে এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সূত্র: দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস





