বকেয়া বেতন ও অন্য বিভাগে বদলি সংক্রান্ত রেষারেষির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টার পর নিজের গলায় ছুঁড়ি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বিভাগের কর্মচারী ফজলু।
বুধবার ( ৪ মার্চ) বিকেলে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্ট্যাডিজ অনুষদ ভবনের নিচতলায় সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে বেতন নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পরে সম্প্রতি ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এই কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য জানান, আমরা এখানে ৪ জন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলো ৩-৪ জন। হঠাৎ করে আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর ৪/৫ জন আমরা একসাথে উপরে উঠে সেখানে ডাকাডাকি করছে তার শব্দ পেয়ে দরজা ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। আর পুরুষটা নিজে নিজেই গলায় ছুঁড়ি চালায় দিয়েছে। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।
বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ওনাকে বদলি করা হয় আজ থেকে প্রায় ২০ দিন থেকে ১ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলোনা এবং এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিলো। ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয় আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নিবে আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা আজ বিভাগে ইফতার মাহফিল ছিলো। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিলো। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। আমাদের ৫ টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিলো। এরমাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলোনা। আমরা ছিলাম ঐ রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটান।
পাবলিকিয়ান টুডে / এন।







