রাজধানী ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে দেশের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি। যারা অর্থনৈতিকভাবে বা অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করব।”
তিনি জানান, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে।
তিনি আরও বলেন, “অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা বাংলাদেশে চার কোটি পরিবার পাবে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে আমরা কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করব। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা বা সম্মানী কর্মসূচির পাইলট প্রজেক্ট চালু হলো।”
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই…যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।”
তিনি আরও বলেন, “নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।”
সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে বলেও তিনি জানান।
পাবলিকিয়ান টুডে / এন। সুত্র: আমার দেশ







