মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে গুলি করা চারজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়েরও হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনাক্ত হওয়া অস্ত্রধারীরা হলেন— মুন্সিকান্দি গ্রামের ফাহিম দেওয়ান, একরাম দেওয়ান, একরামুল সরকার ওরফে ছোট একরাম এবং জিহাদ সরকার। তারা সবাই সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজির আহমেদ ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লার সমর্থক বলে জানা গেছে।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উজির আহমেদ ও আওলাদ হোসেন মোল্লা পক্ষের সঙ্গে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান (মল্লিক) এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিও হয়। সংঘর্ষে ককটেলের স্প্লিন্টার ও গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত পাঁচজন আহত হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান বলেন, “মোল্লাকান্দির ঘটনাটি একটি এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্ব। ঘটনার সময় ধানের শীষের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রচার কর্মসূচি ছিল না এবং কোনো জ্যেষ্ঠ নেতা–কর্মীও উপস্থিত ছিলেন না। বিএনপি ও নির্বাচনী পরিবেশকে বিতর্কিত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বকে নির্বাচনকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব বলে চালানো হচ্ছে।”
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “অস্ত্রধারীসহ সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তারা নজরদারিতে রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পাবলিকিয়ান টুডে/এফএ । পাবলিকিয়ান টুডে ফেইসবুক মূলসূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস







