ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে বিক্ষোভ করেছেন তাঁর সমর্থকরা। বিক্ষোভ চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।পুলিশি অভিযানের সময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রাবার বুলেটে গুলিবিদ্ধ । এ ঘটনায় রাকসুর সাবেক জিএস আম্মারসহ অন্তত ১৫ জন আ ন্দোলনকারী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেডে আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক আন্দোলনকারী আহত হন।
বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের কয়েকজন সদস্যও আহত হন। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আহত আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্যদের শাহবাগ মোড়ের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল (বারডেম) এ নেওয়ার চেষ্টা করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এতে বাধা দেয়। পরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা সূত্রে জানা গেছে, আহতদের শরীরে সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাত রয়েছে।
ঘটনার পর বিক্ষুব্ধদের একটি দল হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও বাংলা মোটর সড়কে অবস্থান নেয়। আরেকটি দল ইন্টারকন্টিনেন্টাল–শাহবাগ সড়কে অবস্থান করে। পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের বাংলামোটরের দিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।
এদিকে আবদুল্লাহ আল জাবেরের ওপর রাবার বুলেট নিক্ষেপের প্রতিবাদে মিছিল নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘জাবেরের ওপর হামলা কেন? হাদির হত্যার বিচার চাই’—এ ধরনের স্লোগান দেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এ| মূলসূত্র: টাইমস অব বাংলাদেশ







