খুবি প্রতিনিধি :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গানের সংগঠন ‘ভৈরবী’র ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি-২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে । এই সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইংলিশ ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: রেজোয়ানুল হক রাদ এবং সমন্বয় সচিব হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণা ডিসিপ্লিনের একই বর্ষের শিক্ষার্থী রাহুল সরকার।
নতুন কমিটিতে অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সহ-প্রধান সমন্বয়ক কৌশিক সাহা, সহ-সমন্বয় সচিব হাবিবুল্লাহ খান ও প্রমা সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক তন্বী আক্তার ও মাহবুবুর রহমান আকাশ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিহার রন্জন মুখার্জি , অর্থ সমন্বয়ক সাজিয়া মাহিন মিথী, সহ-অর্থ সমন্বয়ক প্রমা বনিক ও পূজা বসু, দপ্তর সমন্বয়ক অমিত দাশ ও সাদিয়া ইসলাম , সহ-দপ্তর সমন্বয়ক মো: রাফিন মাহফুজ , প্রচার সমন্বয়ক সায়ন্তনী সরকার শিখী ও বাহারুল ইসলাম, সহ-প্রচার সমন্বয়ক মংহ্লাশিং মারমা , সাংস্কৃতিক সমন্বয়ক প্রনব সরকার ও আসিবুর রহমান সাইব , সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাংপু চাকমা , তথ্য ও যোগাযোগ সমন্বয়ক আসিবুর রহমান সিফাত ও মো: মোনায়েম খান সজীব, সহ-তথ্য ও যোগাযোগ সমন্বয়ক তৃশা সরকার।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুদীপ্ত সাহা দীপ, গৌরব ঘোষ, তনুশ্রী মজুমদার, শুভদীপ গোলদার, প্রজ্ঞা হক, তাসমিয়া হাসান।
নতুন প্রধান সমন্বয়ক মো: রেজোয়ানুল হক রাদ বলেন, “ভৈরবী–খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী কমিটি ২০২৬-এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভৈরবী আমার কাছে শুধু একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়, এটি আবেগ, শৃঙ্খলা ও সৃষ্টিশীলতার এক অনন্য পরিবার।আমি বিশ্বাস করি, সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা এবং নবীনদের উদ্যমের মাধ্যমে ভৈরবীকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী একটি সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়া সম্ভব। সবার সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে আমরা ভৈরবীর গৌরবময় ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে আরও ইতিবাচক ও অর্থবহ কার্যক্রম উপহার দিতে চাই।”
এছাড়া তিনি আরোও বলেন, “ভৈরবী–খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ২০২৬ সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে কাজ করবে। এই কমিটি সংগঠনের নিয়মিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি নতুন সদস্যদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সৃষ্টিশীল প্রতিভা বিকাশে গুরুত্ব দেবে।কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে-বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন, মৌসুমি ও বিশেষ দিবসভিত্তিক অনুষ্ঠান, সদস্যদের জন্য কর্মশালা ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম, আন্তঃসংগঠন সাংস্কৃতিক বিনিময়, এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভৈরবীর কার্যক্রম আরও সক্রিয়ভাবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।ভৈরবী সংগঠনটির এই কমিটি বিশ্বাস করে, সাংস্কৃতিক চর্চা কেবল বিনোদন নয়; বরং এটি মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও সৃজনশীল চিন্তাকে বিকশিত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম”।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এমকে




