নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ব্যানার টানাতে গিয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর এক সমর্থকের ওপর হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে নোয়াখালীর সেনবাগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ থেকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ প্রবাসীরা কেবল রেমিট্যান্স যোদ্ধা নন, তারা এই দেশের গর্ব : জামায়াত আমীর
জানা যায়, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সেনবাগ উপজেলার উত্তর শাহাপুর এলাকায় শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়ার ব্যানার টানাতে গেলে সাখাওয়াত (২৮) নামে তার এক সমর্থকের ওপর ধানের শীষ প্রতীকের লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে সাখাওয়াত আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাতে সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়ার নেতৃত্বে শাপলা কলির সমর্থকরা সেনবাগ পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সেনবাগ পৌর শহরের জেলা পরিষদ মার্কেট চত্বর থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সেনবাগ থানা মোড়ে গিয়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মালেক এবং সেনবাগ পৌর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ইয়াছিন মিয়াজীসহ স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তারা।
আরও পড়ুনঃ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটের আশ্বাস স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে। ব্যানার সাঁটানোর মতো সাধারণ কাজেও হামলা প্রমাণ করে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িত সকল সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।
এদিকে সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন পাটোয়ারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, উত্তর সাহাপুরে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মাসুদ আলমকে দলের সব কার্যক্রম ও স্তর থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বিএনপির কোনো পদ-পদবিতে নেই, শুধুমাত্র একজন সমর্থক ছিলেন। তার ব্যক্তিগত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় দল কোনোভাবেই নেবে না। আইনের দৃষ্টিতে তিনি একজন সাধারণ নাগরিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
পাবলিকিয়ান টুডে/এফএ







