সম্প্রতি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিউজফিড ও নোটিফিকেশনে ভোট ও নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বার্তা দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ এ ধরনের নোটিফিকেশন পেয়ে অনেক ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হলেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের একটি বৈশ্বিক নির্বাচনসংক্রান্ত ফিচারের অংশ।
ফেসবুকের সহায়তা কেন্দ্রের তথ্যমতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারীদের ভোটার সচেতনতা বাড়াতে নির্বাচন ও ভোটিংসংক্রান্ত নোটিফিকেশন পাঠানো হয়। এসব নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন, ভোটের তারিখ, ভোট দেওয়ার নিয়ম এবং নির্বাচন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো ও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে ফেসবুকের ভোট ও নির্বাচন নোটিফিকেশন নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ফেসবুকের নোটিফিকেশন সেটিংসে থাকা ‘ভোটিং রিমাইন্ডার’ অপশন ব্যবহার করে নির্বাচনসংক্রান্ত বার্তা চালু বা বন্ধ করার সুযোগ রয়েছে।
ভোটিং রিমাইন্ডার বন্ধ করে দিলে ফেসবুক থেকে আর ভোটার নিবন্ধন, ভোট প্রদানের নির্দেশনা কিংবা নির্বাচন বিষয়ক কোনো নোটিফিকেশন পাওয়া যাবে না। আবার প্রয়োজন হলে একই সেটিংসের মাধ্যমে এই সুবিধা পুনরায় চালু করা সম্ভব।
ফেসবুকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটিং ও নির্বাচন নোটিফিকেশন চালু বা বন্ধ করতে প্রথমে ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে উপরের ডান পাশের কোণে থাকা প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘সেটিংস ও প্রাইভেসি’ থেকে ‘সেটিংস’ অপশনে গিয়ে ‘নোটিফিকেশন’ নির্বাচন করতে হবে। সেখানে নিচে স্ক্রল করে ‘ভোটিং রিমাইন্ডার’ অপশনে প্রবেশ করে চালু বা বন্ধ নির্বাচন করা যাবে।
যেসব অঞ্চলে এই সুবিধা কার্যকর, সেখানে ‘স্থানীয় ভোটিং অ্যালার্ট’ অপশনও আলাদাভাবে চালু বা বন্ধ করা যায়। পাশাপাশি ভোটিং রিমাইন্ডার সেটিংসে ঠিকানা যুক্ত করার সুযোগ থাকতে পারে। ঠিকানা যুক্ত করলে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়। তবে ফেসবুক জানিয়েছে, ঠিকানা দেওয়া সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক এবং এই তথ্য অন্য কোনো ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান হয় না।
ফেসবুক আরও জানিয়েছে, নির্বাচন ও ভোটিংসংক্রান্ত তথ্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তাদের সহায়তা কেন্দ্রে দেওয়া রয়েছে।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এ| মূলসূত্র: যুগান্তর






