সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোটকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণের দিন প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের চলাচল বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন ছাড়া অন্য সব যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে গর্ভবতী নারী জামায়াত নেত্রীর পেটে লাথি, বিএনপির বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে প্রতিবাদ
নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন প্রার্থী এবং তার মনোনীত নির্বাচনী এজেন্ট প্রত্যেকে সর্বোচ্চ একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। এ তালিকায় জিপ, কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি ও অটোরিকশা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব যানবাহনে চালকসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন অবস্থান করতে পারবেন। প্রার্থীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোনো গানম্যান থাকলে তাকেও এই পাঁচজনের মধ্যেই গণ্য করা হবে।
ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেসব এলাকায় মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য যান চলাচল সম্ভব নয়, সেখানে প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্ট সর্বোচ্চ দুটি করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি মোটরসাইকেলে চালকসহ অনধিক দুইজন অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নৌপথে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রার্থী ও এজেন্টের জন্য নৌযানে চালকসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন আরোহীর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের যে আন্দোলন হয়েছিল সে আন্দোলনে বিএনপি যোগদান করে নাই
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যানবাহনে অবস্থানকারী ব্যক্তি যদি প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা গানম্যান না হন, তবে তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে আগাম আবেদন করে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ইস্যু করা বিশেষ ‘নির্বাচনি স্টিকার’ সংশ্লিষ্ট যানবাহনের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এছাড়া প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্ট ব্যতীত তাদের সঙ্গে থাকা অন্য কোনো ব্যক্তি বা সহচর ভোটকেন্দ্রের সীমানা বা চৌহদ্দির ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







