মোঃ আরাফাত ইসলাম, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক গবেষণা সূচক Nature Index-2026 এর র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেলেও তালিকায় জায়গা হয়নি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর।
সম্প্রতি প্রকাশিত Nature Index–এর “Institution Outputs” তালিকায় বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এলেও উত্তরাঞ্চলের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হাবিপ্রবির নাম দেখা যায়নি।
Nature Index মূলত বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও কঠোর মান নিয়ন্ত্রণসম্পন্ন প্রায় ১৪৫টি আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। এখানে সাধারণ প্রকাশনা নয়, বরং উচ্চমানের peer-reviewed গবেষণাকেই মূল্যায়ন করা হয়।এই সূচকে “Count” ও “Share” নামে দুটি সূচকের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণা অবদান নির্ধারণ করা হয়। “Count” প্রকাশিত গবেষণার সংখ্যা নির্দেশ করে, আর “Share” দেখায় একটি গবেষণায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অবদান কতটুকু।
বাংলাদেশের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (icddr,b)। একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৪টি গবেষণা প্রবন্ধ এবং ১.০৬ শেয়ার স্কোর নিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)।
তালিকায় মোট ১৬টি পাবলিক ও ১১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (IUB), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
Nature Index-এ Biological Sciences, Chemistry, Health Sciences, Physical Sciences এবং Earth & Environmental Sciences-এর মতো বিষয়ভিত্তিক গবেষণাও আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠান সামগ্রিক র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও নির্দিষ্ট বিষয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এসএইচ | ফেসবুক







