সয়াবিন তেল ভোজনরসিক বাঙালি রান্নাঘরের সবচেয়ে পরিচিত উপাদান। মাছ-মাংস থেকে শুরু করে যেকোনো তরকারি রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উপাদান এই সয়াবিন তেল। কিন্তু এই সয়াবিন তেলই এখন উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে। সদ্য প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ব্র্যান্ডেড ও নন-ব্র্যান্ডেড উভয় সয়াবিন তেলেই রয়েছে হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা, যা প্রতিদিনের রান্নার মাধ্যমে ঢুকে পড়ছে আমাদের শরীরে।
সম্প্রতি স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসভিয়ারের ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ ইতোমধ্যে খাদ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষণায় দেশের অগ্রপথিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুর রহমান ভূইয়ার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বিইএস ২০২১ ব্যাচের গবেষণা শিক্ষার্থী রুনা আক্তার মীমের এই অনুসন্ধানী গবেষণায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভোজ্যতেলের এই তথ্য উঠে আসে। গবেষণা দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিইউপি পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অমিত হাসান অনিক, শিক্ষার্থী মো. আশিকুর রহমান, সাদিয়া জাহান ও সাদিয়া আক্তার নিশি এবং এছাড়াও ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মো. তারেক।

এর আগে বিইউপির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুর রহমান ভূইয়ার তত্ত্বাবধানে বিইএস ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী সিফাত আয়শার অনুসন্ধানী গবেষণায় দেশে প্রথমবারের মতো বাজারের খোলা ও প্যাকেটজাত আটা-ময়দায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে এসেছিলো। এবার সেই একই বিভাগের ধারাবাহিক গবেষণায় সয়াবিন তেলেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হলো, যা বাংলাদেশের প্রধান দুটি খাদ্য উপাদানেই এই দূষণের ব্যাপকতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
“প্লাস্টিকের নমুনা পর্যবেক্ষণে ধারণা করা যায় সয়াবিন তেলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উৎস মূলত তেলের বোতল ও ঢাকনা, পরিবহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ড্রাম, কারখানার পাইপ ও ফিল্টার এবং বায়ুবাহিত সিন্থেটিক তন্তু। এ ছাড়া পুনর্ব্যবহৃত নিম্নমানের প্লাস্টিক পাত্রে এবং খোলা পরিবেশে তেল সংরক্ষণও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। তেজগাঁওয়ের নমুনায় তেলের পাত্রের রঙের সঙ্গে পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের রঙের মিল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্যাকেজিং উপকরণও একটি সম্ভাব্য উৎস।”
গবেষণার প্রধান তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমান ভূইয়া
মাইক্রোপ্লাস্টিক কেন এত ভয়ানক?
মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো পাঁচ মিলিমিটারের চেয়েও ছোট প্লাস্টিকের অতিক্ষুদ্র কণা। এগুলোর জন্ম হয় মূলত দুটি পথে। ইচ্ছাকৃতভাবে ছোট আকারে উৎপাদিত পণ্য যেমন ফেসিয়াল স্ক্রাবের মাইক্রোবিডস বা টুথপেস্টের স্ক্রাবার থেকে প্রাপ্ত কণাগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি মাইক্রোপ্লাস্টিক। আর বড় প্লাস্টিক বস্তু যেমন বোতল, পলিথিন বা মাছ ধরার জাল সময়ের সাথে ভেঙে, ক্ষয়ে এবং সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ক্রমাগত ছোট ছোট টুকরোতে পরিণত হলে তাকে বলে সেকেন্ডারি মাইক্রোপ্লাস্টিক। এই প্রায় অদৃশ্য কণাগুলো পরিবেশের মাটি, পানি ও বাতাসে অনায়াসে মিশে যায় এবং অবধারিতভাবে খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে। গবেষণা বলছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রজনন ও স্নায়ুবিক সহ নানা ব্যাধি তৈরি করতে পারে, এমনকি এটি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করতে পারে।
কেন সয়াবিন তেল নিয়ে এত আগ্রহ?
কারণ বাংলাদেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ সয়াবিন তেল দিয়েই রান্না করেন। গণপরিসংখ্যান বলছে, মাথাপিছু প্রতিদিন গড়ে ২০-২২ গ্রাম সয়াবিন তেল খাদ্যে ব্যবহার করছেন দেশের মানুষ, আর জাতীয় চাহিদা ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১০.২ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০৩০ সালের মধ্যে সেই চাহিদা বাড়বে ১৩.৯ লক্ষ মেট্রিক টনে। অথচ বাংলাদেশে এ নিয়ে ইতোপূর্বে কোনো গবেষণা হয়নি। বিইউপির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এই গবেষণাদলটি সেই শূন্যতা পূরণ করতেই মাঠে নামেন, আর তাদের পাওয়া তথ্য রীতিমতো আঁতকে উঠার মতো।
গবেষণাটি যেভাবে হলো
গবেষণা দল ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে নন-ব্র্যান্ডেড এবং সুপারশপ থেকে বহুল প্রচলিত ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেলের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল অনুসরণ করে মাইক্রোপ্লাস্টিক অনুসন্ধানের কাজ সম্পন্ন করেন।
গবেষণার ফলাফল
পরীক্ষিত সব নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সামগ্রিক গড় ঘনত্ব প্রতি লিটারে ৫৩,৯২২ থেকে ১০,৫১০টি কণা। নন-ব্র্যান্ডেড তেলে এই সংখ্যা আরও বেশি, গড়ে ৫৯,৭৭৮ কণা প্রতি লিটার, আর ব্র্যান্ডেড তেলে ৪৮,০৬৭ কণা। পরিসংখ্যানগতভাবে পার্থক্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।
সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্রটি পাওয়া গেছে তেজগাঁও থেকে সংগৃহীত নন-ব্র্যান্ডেড তেলে, প্রতি লিটারে ৭০ হাজারের বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক। গবেষকরা মনে করছেন, তেজগাঁওয়ের প্লাস্টিক ও টেক্সটাইল শিল্পের নৈকট্য এবং খোলা পরিবেশে তেল মজুতের অভ্যাস এই বিপর্যয়ের কারণ।
ইউরোপের উদ্ভিজ্জ তেলে যেখানে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঘনত্ব মাত্র ১,১৪০ কণা প্রতি লিটার, সেখানে বাংলাদেশের ফলাফল কয়েক দশক গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের ভোজ্য তেলেও উচ্চমাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে, তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ইউরোপের তুলনায় নিঃসন্দেহে শঙ্কাজনক।
আকৃতি, রঙ ও আকার
গবেষকরা তেলের নমুনায় ছয় রকমের মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা খুঁজে পেয়েছেন। এর মধ্যে সুতার মতো লম্বা আকৃতির কণা, যাকে বলা হয় ফাইবার, সেটিই সবচেয়ে বেশি। প্রতি একশোটি কণার মধ্যে প্রায় তিরাশিটিই এই ধরনের। রঙের দিক থেকে বেশিরভাগ কণা স্বচ্ছ, তাই খালি চোখে এগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব।
আকারের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি মানুষের চুলের ব্যাস প্রায় ৭০ মাইক্রোমিটার। এই গবেষণায় পাওয়া কণাগুলোর মধ্যে যেগুলো সেই মাপের দ্বিগুণেরও ছোট, অর্থাৎ ১৩০ মাইক্রোমিটারের নিচে, সেগুলো পাকস্থলী ও অন্ত্রের দেয়াল ভেদ করে রক্তে মিশে যেতে পারে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জমা হতে পারে বলে বৈজ্ঞানিক মহলে আশঙ্কা রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই গবেষণায় সেই বিপজ্জনক আকারের কণাও তেলে পাওয়া গেছে।
তেলে মিশে থাকা প্লাস্টিক কণাগুলো ছয় রকমের পলিমার দিয়ে তৈরি বলে শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক তথ্য হলো নাইলনের উপস্থিতি, যা এই গবেষণায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাওয়া গেছে এবং বাংলাদেশে ভোজ্যতেলে এটি এই প্রথম শনাক্ত হলো। একইভাবে পলিউরেথেনও প্রথমবারের মতো শনাক্ত হয়েছে। এই দুটি পদার্থ সাধারণত খাদ্যের সংস্পর্শে ব্যবহারের অনুমোদিত নয়, তবু এগুলো তেলে পাওয়া গেছে।
দূষণের উৎস সম্পর্কে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ
দূষণের উৎস সম্পর্কে সরাসরি কোনো একটি কারণকে দায়ী করার চেয়ে গবেষকগণ একাধিক কারণকেই দায়ী বলে মত প্রদান করেছেন। প্লাস্টিকের নমুনা পর্যবেক্ষণে প্রধান তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমান ভূইয়া মনে করেন, উৎস সমূহ মূলত তেলের বোতল ও ঢাকনা, পরিবহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ড্রাম, কারখানার পাইপ ও ফিল্টার এবং বায়ুবাহিত সিন্থেটিক তন্তু। এ ছাড়া পুনর্ব্যবহৃত নিম্নমানের প্লাস্টিক পাত্রে এবং খোলা পরিবেশে তেল সংরক্ষণও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে তিনি মনে করেন। তেজগাঁওয়ের নমুনায় তেলের পাত্রের রঙের সঙ্গে পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের রঙের মিল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্যাকেজিং উপকরণও একটি সম্ভাব্য উৎস।
স্বাস্থ্যঝুঁকি: শিশুরা কতটা বিপদে?
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক (৭০ কেজি ওজন) প্রতিদিন সয়াবিন তেলের মাধ্যমে গড়ে ১৭.৬৫টি মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ করতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। বছরে তা দাঁড়ায় ৬,৪৪১টি এবং সারাজীবনে প্রায় সাড়ে চার লাখ কণা।
তবে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। গবেষণায় প্রতীয়মান হয় যে মাত্র ১৬ কেজি ওজনের একটি শিশু প্রতিদিন প্রায় ৭৭টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা প্রাপ্তবয়স্কের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। বছরে তা দাঁড়ায় প্রায় ২৮ হাজার এবং জীবনকালে প্রায় ২০ লাখ কণা। শরীরের কম ওজনের কারণে একই পরিমাণ তেল থেকে শিশুদের সম্ভাব্য ঝুঁকি বহুগুণে বেশি বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
দূষণ সূচক বিশ্লেষণে সমস্ত নমুনা ‘মধ্যম দূষিত’ বলে চিহ্নিত হলেও গবেষকরা সতর্ক করছেন, সয়াবিন তেলের বিপুল ব্যবহারের হার এবং শরীরে প্লাস্টিক জমে যাওয়ার প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। ১৩০ মাইক্রোমিটারের ছোট কণা পরিপাকতন্ত্রের দেয়াল ভেদ করে অঙ্গে জমা হতে পারে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ তৈরি করতে পারে বলে বৈজ্ঞানিক মহলে আশঙ্কা রয়েছে। পলিপ্রোপাইলিন তাপ বা অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে বিসফেনল-এ ও ফ্যালেট ছাড়তে পারে, যা ক্যানসার ও হরমোনজনিত ব্যাধির ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
রান্নাঘরের সেই বোতলটি আপাতদৃষ্টিতে যেমন নিরীহ, তেমনি তার ভেতরে নীরব ঘাতক লুকিয়ে আছে। বিইউপির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এই গবেষণা আমাদের আতঙ্ক ছড়াতে নয়, বরং জাগ্রত করতে চায়। ব্র্যান্ডেড হোক বা নন-ব্র্যান্ডেড, কোনো সয়াবিন তেলই এখন সম্পূর্ণ মাইক্রোপ্লাস্টিকমুক্ত নয়, শুধু পার্থক্য হলো মাত্রায়।
এখন কী করণীয়?
প্রশ্ন উঠতে পারে, বাংলাদেশে কি আইনের কোনো সুরক্ষা নেই? আছে, তবে তা যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩-সহ বিদ্যমান খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ভোজ্যতেলের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও এসব আইন ও মানদণ্ডে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কোনো সুনির্দিষ্ট সীমামাত্রা নেই। অর্থাৎ তেলে অথবা আটা এখানে যত মাইক্রোপ্লাস্টিকই থাকুক, বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় তা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ সীমিত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে খাদ্যপণ্যে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণের বিধিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাংলাদেশে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।
এই বাস্তবতায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। ভোজ্যতেলে মাইক্রোপ্লাস্টিককে খাদ্যমান পরীক্ষার বাধ্যতামূলক সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা নির্ধারণ করে তা আইনগত বাধ্যবাধকতায় পরিণত করা এবং তেল পরিশোধন কারখানাগুলোতে খাদ্যমান অনুমোদিত নয় এমন প্লাস্টিক উপকরণের ব্যবহার বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি। একইসাথে নন-ব্র্যান্ডেড তেলের খোলা বাজারে বিক্রির ক্ষেত্রে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, ভোক্তা হিসেবে আমাদের প্রত্যেককে নিরাপদ খাদ্য সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন এবং বিইউপিসহ দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল যাতে সরাসরি নীতিনির্ধারণে প্রতিফলিত হয়, সে লক্ষ্যে সরকার ও গবেষকদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা জরুরি।
পাবলিকিয়ান টুডে/ অর্ঘ্য| মূলসূত্র: Meem, R. A., Bhuiyan, M. a. R., Rahman, M. A., Anik, A. H., Jahan, S., Nishi, S. A., & Tareq, S. M. (2026). Microplastic contamination in branded and non-branded edible Soybean oil from Bangladesh. Journal of Food Composition and Analysis, 152, 109005. https://doi.org/10.1016/j.jfca.2026.109005







