২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন একে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে দাবি না করে—এমন মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, আন্দোলনটি ছিল জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও রাজপথে ছিলেন।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টার-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রটি অবস্থিত আব্দুল গনি রোডে, যা বাংলাদেশ পুলিশ-এর সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলায়।
আইজিপি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান বা জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন ও অধিকার। আমরাও এই আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছি। এই ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজেদের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন, তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইজিপি। তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মতনির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই।’
আইজিপি জানান, ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন।
পাবলিকিয়ান টুডে / এন। সূত্র: কালের কন্ঠ







