রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচগুলো গত কয়েক বছরে চ্যাম্পিয়নস লিগের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও নাটকীয় দ্বৈরথ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক ছয়টি নকআউট লড়াইয়ে দুই দলের মধ্যে যা যা ঘটেছে তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক।
২০১৯–২০ মৌসুমে শেষ ষোলোতে ম্যানচেস্টার সিটি দুই লেগ মিলিয়ে ৪–২ গোলে জিতেছিল। প্রথম লেগে বার্নাব্যুতে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত রিয়াল এগিয়ে থাকার পর জেসুস ও ডি ব্রুইনের গোলে সিটি ২–১ জিতে। দ্বিতীয় লেগেও একই স্কোর, স্টার্লিং ও জেসুসের গোলে সিটি রিয়ালকে বিদায় করে।
২০২১–২২ মৌসুমের সেমিফাইনালে রিয়াল অবিশ্বাস্য কামব্যাক দেখায়। দুই লেগ মিলিয়ে ৬–৫ গোলে জয়। ইতিহাদে প্রথম লেগে সিটি ৪–৩ জিতলেও দ্বিতীয় লেগে ৭২ মিনিটে মাহরেজের গোলে সিটি দুই লেগ মিলিয়ে ৫–৩ এগিয়ে যায়। কিন্তু ৯০ মিনিট ও যোগ করা সময়ে রদ্রিগোর দুই গোল এবং অতিরিক্ত সময়ে বেনজেমার পেনাল্টিতে রিয়াল ফিরে আসে এবং পরে শিরোপাও জিতে নেয়।
২০২২–২৩ মৌসুমে সেমিফাইনালে সিটি প্রতিশোধ নেয়। দুই লেগ মিলিয়ে ৫–১ গোলে জয়। প্রথম লেগ বার্নাব্যুতে ১–১ ড্র হলেও দ্বিতীয় লেগে ইতিহাদে ৪–০ গোলে একতরফা জয়, বের্নার্দো সিলভার জোড়া গোলসহ আকাঞ্জি ও আলভারেজের অবদানে।
২০২৩–২৪ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল টাইব্রেকারে জিতে। দুই লেগ মিলিয়ে ৪–৪ সমতা, প্রথম লেগ ৩–৩ এবং দ্বিতীয় লেগ ১–১। অতিরিক্ত সময়ে গোল না হলে পেনাল্টিতে রিয়াল ৪–৩ ব্যবধানে জয়ী হয়।
২০২৪–২৫ মৌসুমে নতুন প্লে-অফ ফরম্যাটে রিয়াল ৬–৩ গোলে জিতে। প্রথম লেগ ইতিহাদে ৩–২ (হলান্ডের জোড়া গোল সত্ত্বেও ব্রাহিম দিয়াজ ও বেলিংহামের গোলে রিয়াল জয়ী)। দ্বিতীয় লেগ বার্নাব্যুতে এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ৩–১ জয়।
আর সবশেষ ২০২৫–২৬ মৌসুমের শেষ ষোলোতে প্রথম লেগে বার্নাব্যুতে রিয়াল ৩–০ গোলে জিতেছে। ফেদে ভালভের্দের প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক (২০’, ২৭’, ৪২’) সিটির রক্ষণকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। আজ দ্বিতীয় লেগ ইতিহাদে। তিন গোলের ঘাটতি পূরণ করা কঠিন হলেও এই দ্বৈরথের ইতিহাস বলে এখানে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।
পাবলিকিয়ান টুডে/ এ| মূলসূত্র: প্রথম আলো







